Your hassle-free travel is our priority

Nagori Tourista A community-based local tourism marketplace in Bangladesh providing unique & authentic experiences and our platform wants to merge travelers with Bangladeshi rural homes to preserve the rural heritage and Bangladeshi culture.

Nagori Tourista give huge emphasis for making our client’s tour memorable, a personalized attention is what needed most and counts. We are always trying to put in our best possible endeavors to provide our clients with best of the services in the stipulated budgets. Our team members are trained in giving personal attention to each and every client who visits through us !!!
Nagori Tourista A one-stop travel solution for the people who love traveling. We are committed to offering unparalleled travel solutions to customers traveling around the Bangladesh.

All Resorts in One Place

Comments Box SVG iconsUsed for the like, share, comment, and reaction icons
1 month ago
Nagori Tourista

অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিট ভিসার আবেদন করতে যা যা লাগবে
অস্ট্রেলিয়ার ভিজিট ভিসা আপনাকে ১২ মাসের জন্য দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি দেয়। এই ভিসাটি পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে দেখা করতে, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ক্রুজে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়া ট্যুরিস্ট ভিসার সুবিধা: কোনো স্পনসর প্রয়োজন নেই। ভিজিট ভিসা একাধিকবার নেওয়া যায়। আপনি আপনার নিকটস্থ ভিসা অফিসে আবেদন করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা প্রসেসিং এর জন্য যা যা দরকার-

১। পাসপোর্ট (নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
২। ব্যাংক ব্যালেন্স নূন্যতম ৫লক্ষ টাকা (জনপ্রতি) সহ বিগত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটম্যান্ট ও সলভেন্সী সার্টিফিকেট ।
৩। ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদসহ নোটারী কপি, কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ইংরেজিতে।
৪। চাকরিজীবীদের জন্য অফিস থেকে এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড ও অফিসের আইডি কার্ডের কপি, স্যালারি অ্যাকাউন্ট স্টেটম্যান্ট এবং সলভেন্সী অথবা পে স্লিপ।
৫। ছবি ১ কপি 35x45mm সাইজ রঙ্গিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট প্রিন্ট।
৬। ন্যাশনাল আইডি কার্ড- এনআইডি (যদি থাকে)।
৭। টি আই এন (টিন) সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।
৮। এসেট ডকুমেন্টস (বাড়ি, ফ্লাট, গাড়ি, ফিক্সড ডিপোজিট-এফডিআর ইত্যাদি, যদি থাকে)।
৯। স্পাউস থাকলে তার পাসপোর্ট / ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি এবং ম্যারিজ সার্টিফিকেট।
১০। সন্তান থাকলে তাদের পাসপোর্ট/ জন্ম সনদ/ ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি। অধ্যয়নরত হলে স্কুল/কলেজ/ভার্সিটি আইডি কার্ড কপি।
ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি: অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি নির্ভর করে আবেদনকারীর নাগরিকত্বের উপর। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি ১৮০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

ভিজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সময়: অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ সময় নেয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আবেদন প্রক্রিয়া আরও বেশি সময় নিতে পারে।

#everyonefollowers #follower #travel #australia
@highlight
... See MoreSee Less

অস্ট্রেলিয়ায় ভিজিট ভিসার আবেদন করতে যা যা লাগবে
অস্ট্রেলিয়ার ভিজিট ভিসা আপনাকে ১২ মাসের জন্য দেশটিতে যাওয়ার অনুমতি দেয়। এই ভিসাটি পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে দেখা করতে, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ক্রুজে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়া ট্যুরিস্ট ভিসার সুবিধা: কোনো স্পনসর প্রয়োজন নেই। ভিজিট ভিসা একাধিকবার নেওয়া যায়। আপনি আপনার নিকটস্থ ভিসা অফিসে আবেদন করতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়া ভিসা প্রসেসিং এর জন্য যা যা দরকার-

১। পাসপোর্ট (নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
২। ব্যাংক ব্যালেন্স নূন্যতম ৫লক্ষ টাকা (জনপ্রতি) সহ বিগত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটম্যান্ট ও সলভেন্সী সার্টিফিকেট ।
৩। ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদসহ নোটারী কপি, কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ইংরেজিতে।
৪। চাকরিজীবীদের জন্য অফিস থেকে এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড ও অফিসের আইডি কার্ডের কপি, স্যালারি অ্যাকাউন্ট স্টেটম্যান্ট এবং সলভেন্সী অথবা পে স্লিপ।
৫। ছবি ১ কপি 35x45mm সাইজ রঙ্গিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট প্রিন্ট।
৬। ন্যাশনাল আইডি কার্ড- এনআইডি (যদি থাকে)।
৭। টি আই এন (টিন) সার্টিফিকেট (যদি থাকে)।
৮। এসেট ডকুমেন্টস (বাড়ি, ফ্লাট, গাড়ি, ফিক্সড ডিপোজিট-এফডিআর ইত্যাদি, যদি থাকে)।
৯। স্পাউস থাকলে তার পাসপোর্ট / ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি এবং ম্যারিজ সার্টিফিকেট।
১০। সন্তান থাকলে তাদের পাসপোর্ট/ জন্ম সনদ/ ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি। অধ্যয়নরত হলে স্কুল/কলেজ/ভার্সিটি আইডি কার্ড কপি।
ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি: অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি নির্ভর করে আবেদনকারীর নাগরিকত্বের উপর। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিজিট ভিসার জন্য ভিসা ফি ১৮০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

ভিজিট ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সময়: অস্ট্রেলিয়া ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহ সময় নেয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আবেদন প্রক্রিয়া আরও বেশি সময় নিতে পারে। 

#everyonefollowers #follower #travel #australia 
@highlight
4 months ago
Nagori Tourista

♻️♻️ Online Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস। এবার নিজেই চেক করে নিন অনলাইনে ভিসা।

১। -তানজানিয়া www.tanzania.go.tz
- See more at: techtimebd.blogspot.com/2015/05/online-visa-60.html#sthash.WVMAe6sj.dpuf

২। -কাতার www.moi.gov.qa/VsaWeb/Actions?action=geteServiceVisaInfoInput&language=english

৩। -কুয়েত www.moi.gov.kw

৪। -পাকিস্তান www.moitt.gov.pk/

৫। -সৌদি আরব www.moi.gov.sa/

৬। -দুবাই/আরব আমিরাত www.moi.gov.ae

৭। -মিশর www.moiegypt.gov.eg/english/

৮। -বাংলাদেশ www.moi.gov.bd

৯।- সাইপ্রাস moi.gov.cy/

১০। -নেপাল www.moic.gov.np/

১১। -আলবেনিয়া www.moi.gov.al/

১২। -জাম্বিয়া www.moi.gov.gm/

১৩। -জর্দান www.moi.gov.jo/

১৪। -ইন্ডিয়া labour.nic.in/

১৫। -কেনিয়া www.labour.go.ke/

১৬। -ইটালী www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/

১৭। -সিংগাপুর www.mom.gov.sg/

১৮। -গ্রীস www.mddsz.gov.si/en

১৯। -শ্রীলংকা www.labourdept.gov.lk/

২০। -দক্ষিণ আফ্রিকা www.labour.gov.za/

২১। -ইরান www.irimlsa.ir/en

২২। -ঘানা www.ghana.gov.gh/

২৩। -থাইল্যান্ড www.mfa.go.th

২৪। -বাহরাইন www.mol.gov.bh

২৫। -ভূটান www.molhr.gov.bt/

২৬। -কলম্বিয়া www.labour.gov.bc.ca/esb/ www.gov.bc.ca/citz

২৭। -কানাডা www.labour.gov.on.ca/english/

২৮। -বারবাডোস www.labour.gov.bb/

২৯। -কোরিয়া www.moel.go.kr/english

৩০। -জাপান www.mhlw.go.jp/english/

৩১। -সাইপ্রাস www.mfa.gov.cy/

৩২। -ভিয়েতনাম english.molisa.gov.vn/

৩৩।- নিউজিল্যান্ড www.dol.govt.nz/

৩৪। -নামিবিয়া www.mol.gov.na/

৩৫। -মালদ্বীপ mhrys.gov.mv/

৩৬। -মিয়ানমার www.mol.gov.mm/

৩৭। -লেবানন www.labor.gov.lb/

৩৮। -পোল্যান্ড www.mpips.gov.pl/en

৩৯। -ইংল্যান্ড www.ukba.homeoffice.gov.uk

৪০। -বুলগেরিয়া www.mlsp.government.bg/en

৪১। -আমেরিকা www.dvlottery.state.gov/ESC www.dol.gov/

৪২। -স্পেন www.mtin.es/en

৪৩। -ইউক্রেইন www.mlsp.gov.ua/

৪৪। -উগান্ডা www.mglsd.go.ug/

৪৫। -পেলেস্টাইন www.mol.gov.ps/

৪৬। -ব্রুনাই www.labour.gov.bn/

৪৭। -ইয়ামেন www.dol.gov/

৪৮। -নেদারল্যান্ড english.szw.nl/

৪৯। -জাম্বিয়া www.mlss.gov.zm

৫০। -অষ্ট্রেলিয়া www.workplace.gov.au/

৫১। -জিম্বাবুয়ে www.dol.gov/

৫২। -ফিলিপাইন www.dole.gov.ph/

৫৩। -মালয়েশিয়া eservices.imi.gov.my/myimms/PDStatus

৫৪। -রাশিয়া www.labour.gov.on.ca/

৫৫। -ভারতীয় ভিসা আবেদন : www.indianvisaonline.gov.in/visa/ indianvisaonline.gov.in/visa/indianVisaReg.jsp

৫৬।-দুবাই : www.mol.gov.ae/arabic/newindex.aspx www.mol.gov.ae/english/newindex.aspx

৫৭।-কানাডা : www.cic.gc.ca/english/index.asp

৫৮।-আমেরিকা : www.vfs.org.in/UKG-PassportTracking/

৫৯।-ওমানের ভিসা : www.rop.gov.om/

৬০।-আবুধাবী ( দুবাই), www.mol.gov/

৬১।-বাহরাইন www.markosweb.com/www/mol.gov.sa/
৬২।-সৌদি আরব, www.saudiembassy.net/

৬৪।-সংযুক্ত আরবআমিরাত : www.mol.gov.ae/ownersservices/employeeCredential.aspx

৬৫।-ওমান : www.rop.gov.om/english/onlineservices-visastatus.asp

৬৬।U.A.E ভিসা চেক করার লিঙ্ক হল united-arab-emirates.visahq.com/

৬৭।- সিঙ্গাপুরের ভিসা চেক দিতে চাইলে singapore.embassyhomepage.com/

৬৮। Entry Permit চেক করার জন্য www.moi.gov.ae/
... See MoreSee Less

♻️♻️ Online Visa চেক করার 60+ দেশের ওয়েব এড্রেস। এবার নিজেই চেক করে নিন অনলাইনে ভিসা।
 
১। -তানজানিয়া http://www.tanzania.go.tz
- See more at: http://techtimebd.blogspot.com/2015/05/online-visa-60.html#sthash.WVMAe6sj.dpuf

২। -কাতার http://www.moi.gov.qa/VsaWeb/Actions?action=geteServiceVisaInfoInput&language=english

৩। -কুয়েত http://www.moi.gov.kw

৪। -পাকিস্তান http://www.moitt.gov.pk/

৫। -সৌদি আরব http://www.moi.gov.sa/

৬। -দুবাই/আরব আমিরাত http://www.moi.gov.ae

৭। -মিশর http://www.moiegypt.gov.eg/english/

৮। -বাংলাদেশ http://www.moi.gov.bd

৯।- সাইপ্রাস http://moi.gov.cy/

১০। -নেপাল http://www.moic.gov.np/

১১। -আলবেনিয়া http://www.moi.gov.al/

১২। -জাম্বিয়া http://www.moi.gov.gm/

১৩। -জর্দান http://www.moi.gov.jo/

১৪। -ইন্ডিয়া http://labour.nic.in/

১৫। -কেনিয়া http://www.labour.go.ke/

১৬। -ইটালী https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/

১৭। -সিংগাপুর http://www.mom.gov.sg/

১৮। -গ্রীস http://www.mddsz.gov.si/en

১৯। -শ্রীলংকা http://www.labourdept.gov.lk/

২০। -দক্ষিণ আফ্রিকা http://www.labour.gov.za/

২১। -ইরান http://www.irimlsa.ir/en

২২। -ঘানা http://www.ghana.gov.gh/

২৩। -থাইল্যান্ড http://www.mfa.go.th

২৪। -বাহরাইন http://www.mol.gov.bh।

২৫। -ভূটান http://www.molhr.gov.bt/

২৬। -কলম্বিয়া http://www.labour.gov.bc.ca/esb/ http://www.gov.bc.ca/citz

২৭। -কানাডা http://www.labour.gov.on.ca/english/

২৮। -বারবাডোস http://www.labour.gov.bb/

২৯। -কোরিয়া http://www.moel.go.kr/english

৩০। -জাপান http://www.mhlw.go.jp/english/

৩১। -সাইপ্রাস http://www.mfa.gov.cy/

৩২। -ভিয়েতনাম english.molisa.gov.vn/

৩৩।- নিউজিল্যান্ড http://www.dol.govt.nz/

৩৪। -নামিবিয়া http://www.mol.gov.na/

৩৫। -মালদ্বীপ mhrys.gov.mv/

৩৬। -মিয়ানমার http://www.mol.gov.mm/

৩৭। -লেবানন http://www.labor.gov.lb/

৩৮। -পোল্যান্ড http://www.mpips.gov.pl/en

৩৯। -ইংল্যান্ড http://www.ukba.homeoffice.gov.uk

৪০। -বুলগেরিয়া http://www.mlsp.government.bg/en

৪১। -আমেরিকা http://www.dvlottery.state.gov/ESC http://www.dol.gov/

৪২। -স্পেন http://www.mtin.es/en

৪৩। -ইউক্রেইন http://www.mlsp.gov.ua/

৪৪। -উগান্ডা http://www.mglsd.go.ug/

৪৫। -পেলেস্টাইন http://www.mol.gov.ps/

৪৬। -ব্রুনাই http://www.labour.gov.bn/

৪৭। -ইয়ামেন http://www.dol.gov/

৪৮। -নেদারল্যান্ড http://english.szw.nl/

৪৯। -জাম্বিয়া http://www.mlss.gov.zm

৫০। -অষ্ট্রেলিয়া http://www.workplace.gov.au/

৫১। -জিম্বাবুয়ে http://www.dol.gov/

৫২। -ফিলিপাইন http://www.dole.gov.ph/

৫৩। -মালয়েশিয়া https://eservices.imi.gov.my/myimms/PDStatus

৫৪। -রাশিয়া http://www.labour.gov.on.ca/

৫৫। -ভারতীয় ভিসা আবেদন : http://www.indianvisaonline.gov.in/visa/ http://indianvisaonline.gov.in/visa/indianVisaReg.jsp

৫৬।-দুবাই : http://www.mol.gov.ae/arabic/newindex.aspx http://www.mol.gov.ae/english/newindex.aspx

৫৭।-কানাডা : http://www.cic.gc.ca/english/index.asp

৫৮।-আমেরিকা : https://www.vfs.org.in/UKG-PassportTracking/

৫৯।-ওমানের ভিসা : http://www.rop.gov.om/

৬০।-আবুধাবী ( দুবাই), http://www.mol.gov/

৬১।-বাহরাইন http://www.markosweb.com/www/mol.gov.sa/
৬২।-সৌদি আরব, http://www.saudiembassy.net/

৬৪।-সংযুক্ত আরবআমিরাত : http://www.mol.gov.ae/ownersservices/employeeCredential.aspx

৬৫।-ওমান : http://www.rop.gov.om/english/onlineservices-visastatus.asp 

৬৬।U.A.E ভিসা চেক করার লিঙ্ক হল http://united-arab-emirates.visahq.com/

৬৭।- সিঙ্গাপুরের ভিসা চেক দিতে চাইলে http://singapore.embassyhomepage.com/

৬৮। Entry Permit চেক করার জন্য http://www.moi.gov.ae/
4 months ago
Nagori Tourista

ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো:
১. হাওড়া ব্রীজ, হাওরা
২. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক
৩. সায়েন্স সিটি
৪. নিউমার্কেট এরিয়া, নিউ মার্কেট
৫. কফি হাউজ, নিউ টাউন
৬. ইকো পার্ক, নিউ টাউন
৭. ইন্ডিয়ান জাতীয় জাদুঘর, নিউ টাউন
৮. ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, নিউ মার্কেট
৯. জোড়া সাকো - রবীন্দ্রনাথের বাড়ি।
১০. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বাজার।
১১. নাখোদা জামে মসজিদ, বড় বাজার।
১২. বিশ্ব বাংলা গেট রেস্টুরেন্ট, নিউ টাউন
১৩. রবীন্দ্র তীর্থ, বিশ্ব বাংলা গেট।
১৪. বড় বাজার পাইকারি মার্কেট।
১৫. ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম সেন্টার
১৬. ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম।
১৭. জেমস প্রিনসেপ ঘাট, স্ট্রান্ড রোড
১৮. মিলেনিয়াম পার্ক, স্ট্রান্ড রোড
১৯. সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল,
২০. বিড়লা মন্ডির, বালিগংগা
২১. কালিঘাট মন্ডির, কালিঘাট
২২. এম-পি বিড়লা তারামন্ডল
২৩. বিড়লা ইন্ড্রস্ট্রিয়াল মিউজিয়াম
২৪. আলিপুর চিড়িয়াখানা
২৫. ইন্ডিয়ান কফি হাউস, কলেজ পাড়া/রোড
আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা
ধন্যবাদ
... See MoreSee Less

4 months ago
Nagori Tourista

অবশেষে পেয়েগেলাম ভাড়ার তালিকা 🥰

মেট্রোরেলের ভাড়া

#মতিঝিল_টু_উত্তরা_
১) মতিঝিল টু বাংলাদেশ সচিবালয় (ভাড়া = ২০/-)
২) মতিঝিল টু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ভাড়া = ২০/-)
৩) মতিঝিল টু শাহাবাগ (ভাড়া = ২০/-)
৪) মতিঝিল টু কারওয়ান বাজার (ভাড়া = ৩০/-)
৫) মতিঝিল টু ফার্মগেট (ভাড়া = ৩০/-)
৬) মতিঝিল টু বিজয় সরণি (ভাড়া = ৪০/-)
৭) মতিঝিল টু আগারগাঁও (ভাড়া = ৫০/-)
৮) মতিঝিল টু শেওড়াপাড়া (ভাড়া = ৫০/-)
৯) মতিঝিল টু কাজীপাড়া (ভাড়া = ৬০/-)
১০) মতিঝিল টু মিরপুর-১০ (ভাড়া = ৬০/-)
১১) মতিঝিল টু মিরপুর-১১ (ভাড়া = ৭০/-)
১২) মতিঝিল টু পল্লবী (ভাড়া = ৮০/-)
১৩) মতিঝিল টু উত্তরা দক্ষিণ (ভাড়া = ৯০/-)
১৪) মতিঝিল টু উত্তরা সেন্টার (ভাড়া = ৯০/-)
১৫) মতিঝিল টু উত্তরা উত্তর (ভাড়া = ১০০/-)

সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ।
... See MoreSee Less

অবশেষে পেয়েগেলাম ভাড়ার তালিকা 🥰

মেট্রোরেলের ভাড়া

#মতিঝিল_টু_উত্তরা_উত্তর_পর্যন্ত_ভাড়ার_তালিকাঃ 
১) মতিঝিল টু বাংলাদেশ সচিবালয় (ভাড়া = ২০/-)
২) মতিঝিল টু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ভাড়া = ২০/-)
৩) মতিঝিল টু শাহাবাগ (ভাড়া = ২০/-)
৪) মতিঝিল টু কারওয়ান বাজার (ভাড়া = ৩০/-)
৫) মতিঝিল টু ফার্মগেট (ভাড়া = ৩০/-)
৬) মতিঝিল টু বিজয় সরণি (ভাড়া = ৪০/-)
৭) মতিঝিল টু আগারগাঁও (ভাড়া = ৫০/-)
৮) মতিঝিল টু শেওড়াপাড়া (ভাড়া = ৫০/-)
৯) মতিঝিল টু কাজীপাড়া (ভাড়া = ৬০/-)
১০) মতিঝিল টু মিরপুর-১০ (ভাড়া = ৬০/-)
১১) মতিঝিল টু মিরপুর-১১ (ভাড়া = ৭০/-)
১২) মতিঝিল টু পল্লবী (ভাড়া = ৮০/-)
১৩) মতিঝিল টু উত্তরা দক্ষিণ (ভাড়া = ৯০/-)
১৪) মতিঝিল টু উত্তরা সেন্টার (ভাড়া = ৯০/-)
১৫) মতিঝিল টু উত্তরা উত্তর (ভাড়া = ১০০/-)

সবাইকে অগ্রিম ধন্যবাদ।
5 months ago
Nagori Tourista

রফিক, সালাম, বরকত আরো হাজার বীর সন্তান যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ সুমধুরতম 'বাংলা'কে আমরা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে পেয়েছি, অর্জন করেছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার, যাদের আত্মত্যাগে '২১শে ফেব্রুয়ারী' আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পেয়েছে, তাদের প্রতি জানাই অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা, নিখাঁদ ভালোবাসা আর অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা।

মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস, বাংলাদেশের পাশাপাশি ইউনেস্কোর ১৯৫টি সদস্য এবং ১০টি সহযোগী সদস্য রাষ্ট্র পালন করবে আমাদের একুশকে।

বসন্তের সম্মিলনে আমাদের চেতনায় আল্পনা এঁকে দেয় অমর একুশে, সবাইকে জানাই আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
... See MoreSee Less

রফিক, সালাম, বরকত আরো হাজার বীর সন্তান যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ সুমধুরতম বাংলাকে আমরা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে পেয়েছি, অর্জন করেছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার, যাদের আত্মত্যাগে ২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পেয়েছে, তাদের প্রতি জানাই অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা, নিখাঁদ ভালোবাসা আর অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা।

মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস, বাংলাদেশের পাশাপাশি ইউনেস্কোর ১৯৫টি সদস্য এবং ১০টি সহযোগী সদস্য রাষ্ট্র পালন করবে আমাদের একুশকে।

বসন্তের সম্মিলনে আমাদের চেতনায় আল্পনা এঁকে দেয় অমর একুশে, সবাইকে জানাই আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
5 months ago
Nagori Tourista

খুলে গেলো নতুন দিগন্তের দুয়ার! এখন ইনানী সমুদ্র সৈকত থেকেই যাওয়া যাবে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন এ। মিয়ানমার সীমান্ত অস্থিরতা তে টেকনাফ - সেন্টমার্টিন রুট বন্ধ থাকায়, সরাসরি ইনানী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন রুটে প্রতিদিন নিয়মিত চলছে কর্নফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ। টিকেট সংগ্রহ করে নিন অফিস থেকে।
.
এম ভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ এর চলাচল এর সময় সুচী:
.
কক্সবাজার ইনানী সমুদ্র সৈকত এ বাংলাদেশ নৌ বাহিনী এর জেটি ঘাট (রয়েল টিউলিপ হোটেল এর পাশে) থেকে ছাড়বে সকাল: ৯.০০ মিনিটে।
.
সেন্টমারটিন থেকে ছাড়বে বিকাল: ৩.০০ মিনিটে। উভয় দিক থেকে গন্তব্যে পৌছুতে সময় লাগবে ৩.৩০ ঘন্টা (+,-) ।
.
এম ভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ এর ভাড়ার তালিকা (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও রিটার্ন টিকেট সহ):
.
ইকোনমি ক্লাস (লেভেন্ডার / মেরিগোল্ড) চেয়ার: ১৬০০/-
বিজনেস ক্লাস (গ্ল্যাডিওলাস) চেয়ার : ৩০০০/-
ওপেন ডেকঃ ২০০০/-
লিলাক লাউঞ্জঃ ৩০০০/-
ভি আই পি ক্রিসেন্থিমাম লাউঞ্জঃ ৩৩০০/-
.
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৪০০০/- (১ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
টুইন বেড কেবিন : ৮০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
ভি আই পি কেবিন (লাক্সারী) : ১২০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
ভি ভি আই পি কেবিনঃ ১৫০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
.
সিঙ্গেল ব্যাতীত, প্রতিটি টুইন বেড, ভি আই পি ও ভি ভি আই পি কেবিন ২ জন এর জন্য প্রযোজ্য, অতিরিক্ত কেউ কেবিনে থাকতে চাইলে জন প্রতি আলাদা ইকোনমি ক্লাস টিকেট কেটে নিতে হবে। ওয়ান ওয়ে ভাড়া জানতে ইনবক্স এ মেসেজ দিন। আপনার ফেরার (রিটার্ন) তারিখ টিকেট কাটার পূর্বেই উল্লেখ করতে হবে। জাহাজে যাত্রীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সব সময় নিয়োজিত থাকছে ।
.
অফিসে এসে সরাসরি টিকেট নিতে পারবেন। ঢাকা এর বাইরে কুরিয়ারে টিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন (চার্জ প্রযোজ্য)। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আপনার অগ্রিম টিকেট সংগ্রহ করে নিন ।
.
সেন্টমার্টিন এ গ্রুপ ট্যুর, স্টাডি ট্যুর , কর্পোরেট ট্যুর ও ফ্যামিলি নিয়ে ভ্রমণ সহ দেশ এর ভেতর ও বাইরে যে কোন স্থানে ভ্রমনের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
.
টিকেট বুকিং সহ অনান্য প্রয়োজন এ ফোন/নক করুন: 01975555350
... See MoreSee Less

খুলে গেলো নতুন দিগন্তের দুয়ার! এখন ইনানী সমুদ্র সৈকত থেকেই যাওয়া যাবে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন এ। মিয়ানমার সীমান্ত অস্থিরতা তে টেকনাফ - সেন্টমার্টিন রুট বন্ধ থাকায়, সরাসরি ইনানী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন রুটে প্রতিদিন নিয়মিত চলছে কর্নফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ। টিকেট সংগ্রহ করে নিন অফিস থেকে। 
.
এম ভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ এর চলাচল এর সময় সুচী:
.
কক্সবাজার ইনানী সমুদ্র সৈকত এ বাংলাদেশ নৌ বাহিনী এর জেটি ঘাট (রয়েল টিউলিপ হোটেল এর পাশে) থেকে ছাড়বে সকাল: ৯.০০ মিনিটে।
.
সেন্টমারটিন থেকে ছাড়বে বিকাল: ৩.০০ মিনিটে। উভয় দিক থেকে গন্তব্যে পৌছুতে সময় লাগবে ৩.৩০ ঘন্টা (+,-) ।
.
এম ভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস জাহাজ এর ভাড়ার তালিকা (শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও রিটার্ন টিকেট সহ):
.
ইকোনমি ক্লাস (লেভেন্ডার / মেরিগোল্ড) চেয়ার: ১৬০০/-
বিজনেস ক্লাস (গ্ল্যাডিওলাস) চেয়ার : ৩০০০/- 
ওপেন ডেকঃ ২০০০/- 
লিলাক লাউঞ্জঃ ৩০০০/- 
ভি আই পি ক্রিসেন্থিমাম লাউঞ্জঃ ৩৩০০/- 
.
সিঙ্গেল কেবিনঃ ৪০০০/- (১ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
টুইন বেড কেবিন : ৮০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
ভি আই পি কেবিন (লাক্সারী) : ১২০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
ভি ভি আই পি কেবিনঃ ১৫০০০/- (২ জন এর জন্য প্রযোজ্য)
.
সিঙ্গেল ব্যাতীত, প্রতিটি টুইন বেড, ভি আই পি ও ভি ভি আই পি কেবিন ২ জন এর জন্য প্রযোজ্য, অতিরিক্ত কেউ কেবিনে থাকতে চাইলে জন প্রতি আলাদা ইকোনমি ক্লাস টিকেট কেটে নিতে হবে। ওয়ান ওয়ে ভাড়া জানতে ইনবক্স এ মেসেজ দিন। আপনার ফেরার (রিটার্ন) তারিখ টিকেট কাটার পূর্বেই উল্লেখ করতে হবে। জাহাজে যাত্রীদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সব সময় নিয়োজিত থাকছে ।
.
অফিসে এসে সরাসরি টিকেট নিতে পারবেন। ঢাকা এর বাইরে কুরিয়ারে টিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন (চার্জ প্রযোজ্য)।  পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আপনার অগ্রিম টিকেট সংগ্রহ করে নিন ।
.
সেন্টমার্টিন এ গ্রুপ ট্যুর, স্টাডি ট্যুর , কর্পোরেট ট্যুর ও ফ্যামিলি নিয়ে ভ্রমণ সহ দেশ এর ভেতর ও বাইরে যে কোন স্থানে ভ্রমনের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
.
টিকেট বুকিং সহ অনান্য প্রয়োজন এ ফোন/নক করুন: 01975555350
5 months ago
Nagori Tourista

কানাডার টুরিস্ট ভিসায় সফলতা পাওয়ার জন্য কিছু ধাপ আছে যেগুলো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

🔶 প্রথমত যেই ধাপটি কানাডার ভিজিট ভিসা পাওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো VISA APPLICATION LETTER অথবা SOP (Statement of Purpose). অনেকেই হয়ত জানেন কানাডার টুরিস্ট ভিসা হলো ডকুমেন্টস নির্ভর ভিসা তবে ডকুমেন্টস থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলো এই VISA APPLICATION LETTER. আপনার ডকুমেন্টস অনেক স্ট্রং তবে আপনি যদি এই লেটারে নিজের ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে না পারেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুন্দর এবং সুমধুর একটি VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে আপনার ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয়তা গুলো উল্লেখ করা লাগবে। এই লেটারে আপনি যা উল্লেখ করবেন তা অবশ্যই আপনার প্রোফাইলের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ হওয়াটা জরুরি। তাই একজন প্রফেশনাল এক্সপার্ট কাওকে দ্বারা এই VISA APPLICATION LETTER লিখাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

🔶 দ্বিতীয়ত কানাডার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো অর্থনৈতিক অবস্থা প্রমান করা অথবা Proof of income. আপনি ব্যবসা বা চাকরি যেটাই করেন না কেনো, আপনার মাসিক আয় যে ভালো সেটা প্রমান করাটা জরুরি। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার ব্যাংকে অনেক অনেক পরিমাণ টাকা থাকা লাগবে। শুধুমাত্র কানাডা ঘুরে আসার জন্য যতোটুকু টাকা প্রয়োজন অতটুকু টাকা ব্যাংকে থাকাটাই যথেষ্ট।

🔶 তৃতীয় যেই জিনিষটি কানাডার ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো ট্রাভেল হিস্ট্রি বা পুর্বে অন্যান্য দেশে ট্রাভেল করার অভিজ্ঞতা থাকা। কানাডার মতো দেশে ট্রাভেল করার জন্য আপনার অবশ্যই দুই একটি দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী তবে ব্যাপারটি এমন নয় যে আপনি অনেকগুলো দেশ ভিজিট করলেই সহজে কানাডার ভিসা পেয়ে যাবেন। পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি কেবল একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে মাত্র। ট্রাভেল হিস্ট্রি এর পাশাপাশি আপনাকে সঠিক নিয়মে ডকুমেন্টস গুছাতে হবে এবং VISA APPLICATION LETTER লিখতে হবে।

🔶 চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ হলো ইনভাইটেশন। আপনার পরিচিত কেও কানাডাতে থাকলে তার থেকে ইনভাইটেশন নিয়ে আসতে পারেন। ইনভাইটেশন এর ফরমেট আমরাই আপনাকে দিয়ে দিবো। ইনভাইটেশন একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে অবশ্যই তবে এটি বাধ্যতামুলক নয়। আপনার যদি কানাডাতে কেও না থেকে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ইনভাইটেশন ছাড়া হোটেল এড্রেস ব্যবহার করতে পারেন।

🔶 পঞ্চম এবং সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আপনার কান্ট্রি টাই প্রমান করা৷ আপনার যে নিজ দেশের প্রতি টান আছে এবং আপনি যে কানাডা থেকে ফেরত আসবেন সেটা প্রমান করাটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রমান করার পথ হলো VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে নিজের দেশে যে আপনার শক্ত একটি অবস্থান আছে সেটা উল্লেখ করা।

🔷 কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা সহজে আপনাদের জন্য উল্লেখ করার চেষ্টা করছিঃ
১. বর্তমান পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (ইনফরমেশন পেজ অর্থাৎ যেখানে আপনার তথ্য রয়েছে সেই পেজ) অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
২. পুরাতন পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (যেখানে বিগত ১০ বছরের এন্ট্রি এবং এক্সিস্ট সিল রয়েছে অর্থাৎ শুধু ভিসা ও সিল রয়েছে সেই পেজ গুলা লাগবে) অবশ্যই একটা পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য যেমন ইউনিভার্সিটির নাম, পোস্ট গ্রাডুয়েশন এর পাশের সাল। কোন ধরনের সার্টিফিকেট লাগবে না শুধুমাত্র পাশের সাল গুলো (ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা খুব বেশি জরুরী না,থাকলে দিতে পারেন না থাকলে খুব বেশি জরুরি না)
৪. বিগত ৪ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সলভেন্সি এফডিআর থাকলে দিতে পারেন (এটাসটেড)
৫. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি ইংলিশ নোটারাইজড
৬. অ্যাসেট ভাল্যুশন (এটা সিএ ফার্ম থেকে করে দিতে হবে এবং নোটারাইজড হতে হবে)
৭. চাকুরীজীবি হলে স্যালারি স্ট্যাটমেন্ট অথবা পে স্লীপ লাগবে
৮. ওয়াইফ, ভাই-বোন, সন্তান এর বাসার এড্রেস, ফোন নাম্বার ইমেল আইডি
৯. বাবা মা এর জন্ম সাল যদি জীবিত থাকে, মৃত্যু হলে প্রয়োজন নেই।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ করে দিতে হবে। (নোটারাইজ)
১২. ভোটার আইডির স্ক্যান কপি বা বার্থ সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি (ভোটার আইডির সাথে যদি পাসপোর্ট এর কোন প্রবলেম ও থাকে সেই ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই sop তে লিখে দিলেই হবে
১৩. ৩৫*৪৫ সাইজ এর ছবি কানাডায়িন সাইজ।
১৪. পাসপোর্ট, বাসার এড্রেস, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার।

বর্তমানে কানাডার এম্বাসি ফি এবং ভিএফএস ফিংগার দেয়ার ফি হলো $১৮৫ কানাডিয়ান ডলার।
সকল ডকুমেন্টস এবং এম্বাসি ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে গুলশানের ভিএফএসে যেয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেয়া লাগবে তারপর কেবল অপেক্ষা করা লাগবে এম্নাসি এর সিদ্ধান্তের জন্য। যদি এম্বাসি আপনার ভিসা অনুমোদন করে থাকে তাহলে ইমেইল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট গুলশানের ভিএফএসে জমা করতে বলবে। আপনার পাসপোর্ট ভিএফএস থেকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই ভিসা প্রিন্ট হয়ে পরবর্তীতে ভিএফএস থেকেই আপনার পাসপোর্ট আপনাকে ফেরত দেয়া হবে।
... See MoreSee Less

কানাডার টুরিস্ট ভিসায় সফলতা পাওয়ার জন্য কিছু ধাপ আছে যেগুলো আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

🔶 প্রথমত যেই ধাপটি কানাডার ভিজিট ভিসা পাওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো VISA APPLICATION LETTER অথবা SOP (Statement of Purpose). অনেকেই হয়ত জানেন কানাডার টুরিস্ট ভিসা হলো ডকুমেন্টস  নির্ভর ভিসা তবে ডকুমেন্টস থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ হলো এই VISA APPLICATION LETTER. আপনার ডকুমেন্টস অনেক স্ট্রং তবে আপনি যদি এই লেটারে নিজের ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যকে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে না পারেন তাহলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। সুন্দর এবং সুমধুর একটি VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে আপনার ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয়তা গুলো উল্লেখ করা লাগবে। এই লেটারে আপনি যা উল্লেখ করবেন তা অবশ্যই আপনার প্রোফাইলের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ হওয়াটা জরুরি। তাই একজন প্রফেশনাল এক্সপার্ট কাওকে দ্বারা এই VISA APPLICATION LETTER লিখাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। 

🔶 দ্বিতীয়ত কানাডার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো অর্থনৈতিক অবস্থা প্রমান করা অথবা Proof of income. আপনি ব্যবসা বা চাকরি যেটাই করেন না কেনো, আপনার মাসিক আয় যে ভালো সেটা প্রমান করাটা জরুরি। তবে এর মানে এই নয় যে আপনার ব্যাংকে অনেক অনেক পরিমাণ টাকা থাকা লাগবে। শুধুমাত্র কানাডা ঘুরে আসার জন্য যতোটুকু টাকা প্রয়োজন অতটুকু টাকা ব্যাংকে থাকাটাই যথেষ্ট। 

🔶 তৃতীয় যেই জিনিষটি কানাডার ভিসার জন্য  গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো ট্রাভেল হিস্ট্রি বা পুর্বে অন্যান্য দেশে ট্রাভেল করার অভিজ্ঞতা থাকা। কানাডার মতো দেশে ট্রাভেল করার জন্য আপনার অবশ্যই দুই একটি দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী তবে ব্যাপারটি এমন নয় যে আপনি অনেকগুলো দেশ ভিজিট করলেই সহজে কানাডার ভিসা পেয়ে যাবেন। পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি কেবল একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে মাত্র। ট্রাভেল হিস্ট্রি এর পাশাপাশি আপনাকে সঠিক নিয়মে ডকুমেন্টস গুছাতে  হবে এবং VISA APPLICATION LETTER লিখতে হবে।

🔶 চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ হলো ইনভাইটেশন।   আপনার পরিচিত কেও কানাডাতে থাকলে তার থেকে ইনভাইটেশন নিয়ে আসতে পারেন। ইনভাইটেশন এর ফরমেট আমরাই আপনাকে দিয়ে দিবো। ইনভাইটেশন একটি সহায়ক ভুমিকা পালন করে অবশ্যই তবে এটি বাধ্যতামুলক নয়। আপনার যদি কানাডাতে কেও না থেকে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ইনভাইটেশন ছাড়া হোটেল এড্রেস ব্যবহার করতে পারেন।

🔶 পঞ্চম এবং সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আপনার কান্ট্রি টাই প্রমান করা৷ আপনার যে নিজ দেশের প্রতি টান আছে এবং আপনি যে কানাডা থেকে ফেরত আসবেন সেটা প্রমান করাটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি প্রমান করার পথ হলো VISA APPLICATION LETTER এর মাধ্যমে নিজের দেশে যে আপনার শক্ত একটি অবস্থান আছে সেটা উল্লেখ করা।

🔷 কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা সহজে আপনাদের জন্য উল্লেখ করার চেষ্টা করছিঃ
১. বর্তমান পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (ইনফরমেশন পেজ অর্থাৎ যেখানে আপনার তথ্য রয়েছে সেই পেজ) অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
২. পুরাতন পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (যেখানে বিগত ১০ বছরের এন্ট্রি এবং এক্সিস্ট সিল রয়েছে অর্থাৎ শুধু ভিসা ও সিল রয়েছে সেই পেজ গুলা লাগবে) অবশ্যই একটা পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য যেমন ইউনিভার্সিটির নাম, পোস্ট গ্রাডুয়েশন এর পাশের সাল। কোন ধরনের সার্টিফিকেট লাগবে না শুধুমাত্র পাশের সাল গুলো (ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা খুব বেশি জরুরী না,থাকলে দিতে পারেন না থাকলে খুব বেশি জরুরি না)
৪. বিগত ৪ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সলভেন্সি এফডিআর থাকলে দিতে পারেন (এটাসটেড)
৫. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি ইংলিশ নোটারাইজড
৬. অ্যাসেট ভাল্যুশন (এটা সিএ ফার্ম থেকে করে দিতে হবে এবং নোটারাইজড হতে হবে)
৭. চাকুরীজীবি হলে স্যালারি স্ট্যাটমেন্ট অথবা পে স্লীপ লাগবে
৮. ওয়াইফ, ভাই-বোন, সন্তান এর বাসার এড্রেস, ফোন নাম্বার ইমেল আইডি
৯. বাবা মা এর জন্ম সাল যদি জীবিত থাকে, মৃত্যু হলে প্রয়োজন নেই।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ করে দিতে হবে। (নোটারাইজ)
১২. ভোটার আইডির স্ক্যান কপি বা বার্থ সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি (ভোটার আইডির সাথে যদি পাসপোর্ট এর কোন প্রবলেম ও থাকে সেই ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই sop তে লিখে দিলেই হবে
১৩. ৩৫*৪৫ সাইজ এর ছবি কানাডায়িন সাইজ।
১৪. পাসপোর্ট, বাসার এড্রেস, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার।

বর্তমানে কানাডার এম্বাসি ফি এবং ভিএফএস ফিংগার দেয়ার ফি হলো $১৮৫ কানাডিয়ান ডলার।
সকল ডকুমেন্টস এবং এম্বাসি ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে গুলশানের ভিএফএসে যেয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেয়া লাগবে তারপর কেবল অপেক্ষা করা লাগবে এম্নাসি এর সিদ্ধান্তের জন্য। যদি এম্বাসি আপনার ভিসা অনুমোদন করে থাকে তাহলে ইমেইল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট গুলশানের ভিএফএসে জমা করতে বলবে। আপনার পাসপোর্ট ভিএফএস থেকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই ভিসা প্রিন্ট হয়ে পরবর্তীতে ভিএফএস থেকেই আপনার পাসপোর্ট আপনাকে ফেরত দেয়া হবে।
5 months ago
Nagori Tourista

বিমান যাত্রার কিছু শিষ্টাচার – যা অবশ্যই মেনে চলবেন

বিমান যাত্রা বেশির ভাগ সময়ই রোমাঞ্চকর। প্রথম বিমান ভ্রমণের গল্প অনেকেরই স্মৃতিতে জীবন্ত থাকে চিরকাল। তবে বিমান যাত্রায় কিছু শিষ্টাচার আপনাকে একজন ভাল যাত্রী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে। এই আধুনিক যুগে বাস করেও কেনই না আপনি পিছিয়ে থাকবেন। যেনে নিন বিমান ভ্রমণের কিছু শিষ্টাচার।

বিমান ভ্রমণে শিষ্টাচার

১। সিট খুঁজে বের করা ও ব্যাগ ঠিকঠাক করা:

বিমানে নিজের সিট নিজেই খুঁজে নিন। অনেক সময়েই যাত্রীরা তাদের ব্যাগ ঠিকঠাক ওভারহেড কম্পার্টমেন্টে ঢোকান না। অনেকেই যাতায়াতের রাস্তাতে ব্যাগ ফেলে রাখেন। ফলে অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেন।

২। ব্যাগ নিজের দায়িত্বে রাখুন:

বিমানে মূলত ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ব্যাগ এর বিষয়ে সহায়তা করে থাকে। তবে সব যাত্রীই যদি আশা করে যে, তাদের ব্যাগ একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট ঠিক করে দেবে, তাহলে তা একটু কঠিন। শত শত যাত্রীর ভারি ব্যাগ ওপরে তোলা যেমন কঠিন; তেমন এতে সময়ও নষ্ট হয়। আপনি যদি সুস্থ-সবল ব্যক্তি হন তাহলে নিজের কাজটি নিজেই করতে চেষ্টা করুন।

৩। অবশ্যই ভদ্র ব্যবহার করুন:

বিমানে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের সাথে কথা বলার সময় ‘প্লিজ’ বা ‘ধন্যবাদ’ শব্দগুলো ব্যাবহার করুন। কখনই তাদের সাথে খারাপ আচরণ করবেন না। মনে রাখবেন কর্মক্ষেত্রে ভদ্র আচরণ পাওয়া প্রত্যেক কর্মীরই অধিকার।

৪। দৃষ্টি যথাসম্ভব সংযত রাখুন:

বিমানের ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট নারী বা পুরুষ হেঁটে যাওয়ার সময় অনেকেই তাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন, যা তাদের স্বাভাবিক কাজের বিঘ্ন ঘটায়। এছাড়াও অনেকেই বিমানের ভেতর তাদের কাজের স্থানে উঁকি মেরে তাদের কার্যক্রম লক্ষ্য করার চেষ্টা করেন। তাদের এমন আচরণে বিমানের কর্মীদের কাজে যে শুধু ব্যাঘাত ঘটে তাই নয়, এতে করে তারা অস্বস্তিতেও পড়ে যান।

৫। স্টিকার ব্যবহার করুন:

বিশ্বের অধিকাংশ বড় ফ্লাইটেই সিটের সঙ্গে একটি স্টিকার দেওয়া থাকে। এতে লেখা থাকে, ‘খাবারের সময় আমাকে ডেকে দিও।’ এমন স্টিকার থাকলে খাবার দেওয়ার সময় ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট আপনাকে নিশ্চিন্তে ডেকে দেবেন। এমন স্টিকার না থাকলে খাবারের সময় ডাকলে বা না ডাকলেও বিরক্ত হন। তাই আপনি আপনার প্রয়োজন বুঝে স্টিকারটি ব্যবহার করুন।

৬। খাবারের জন্য ধন্যবাদ দিন:

বিমানের প্রত্যেকটি যাত্রীর জন্যই বিমানে পর্যাপ্ত খাবার মজুদ থাকে। ফলে খাবার গ্রহণে কখনই কোনো সমস্যা নেই, বরং তা প্রত্যাখ্যান করাই বেশি ঝামেলার। তবে খাবার গ্রহণ করার সময় অবশ্যই সহায়তাকারীকে ধন্যবাদ দিন তাকে সহায়তা করুন।

৭। গ্যালারিতে যান:

ভ্রমণের সময় অতিরিক্ত কোনো পানীয় কিংবা হালকা খাবার প্রয়োজন হলে বিমানের গ্যালারিতে চলে যান। অধিকাংশ বিমানের পেছনের দিকেই গ্যালারি থাকে। যাতায়াতের সময় একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে ডেকে কোনোকিছু চাওয়ার চেয়ে এটি অনেক ভদ্র পদ্ধতি।

৮। ট্রে অগোছালো নয়:

খাবার খাওয়া শেষ করে তা অগোছালো ভাবে না রেখে নিজেই একটু গুছিয়ে রাখুন। এতে সহায়তাকারীদের সুবিধার সাথে সাথে নিজের কাজেও সুবিধা হবে।

৯। ব্যাবহার করা হেডসেট ও কম্বল ফেরত দিন:

বিমানযাত্রার শেষ দিকে বিমানের যাত্রীদের কাছ থেকে হেডসেট নেওয়ার দায়িত্বে একজন নিয়োজিত থাকেন। কারণ তার কাজ বিমানটি সময়মত পরিষ্কার করে নতুন করে সাজিয়ে যাত্রী ওঠানো। বের হওয়ার আগেই এসব কাজ সেরে তবেই যাত্রার সমাপ্তি করুন।
... See MoreSee Less

বিমান যাত্রার কিছু শিষ্টাচার – যা অবশ্যই মেনে চলবেন

বিমান যাত্রা বেশির ভাগ সময়ই রোমাঞ্চকর। প্রথম বিমান ভ্রমণের গল্প অনেকেরই স্মৃতিতে জীবন্ত থাকে চিরকাল। তবে বিমান যাত্রায় কিছু শিষ্টাচার আপনাকে একজন ভাল যাত্রী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে। এই আধুনিক যুগে বাস করেও কেনই না আপনি পিছিয়ে থাকবেন। যেনে নিন বিমান ভ্রমণের কিছু শিষ্টাচার।

বিমান ভ্রমণে শিষ্টাচার

১। সিট খুঁজে বের করা ও ব্যাগ ঠিকঠাক করা:

বিমানে নিজের সিট নিজেই খুঁজে নিন। অনেক সময়েই যাত্রীরা তাদের ব্যাগ ঠিকঠাক ওভারহেড কম্পার্টমেন্টে ঢোকান না। অনেকেই যাতায়াতের রাস্তাতে ব্যাগ ফেলে রাখেন। ফলে অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেন।

২। ব্যাগ নিজের দায়িত্বে রাখুন:

বিমানে মূলত ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা ব্যাগ এর বিষয়ে সহায়তা করে থাকে। তবে সব যাত্রীই যদি আশা করে যে, তাদের ব্যাগ একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট ঠিক করে দেবে, তাহলে তা একটু কঠিন। শত শত যাত্রীর ভারি ব্যাগ ওপরে তোলা যেমন কঠিন; তেমন এতে সময়ও নষ্ট হয়। আপনি যদি সুস্থ-সবল ব্যক্তি হন তাহলে নিজের কাজটি নিজেই করতে চেষ্টা করুন।

৩। অবশ্যই ভদ্র ব্যবহার করুন:

বিমানে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের সাথে কথা বলার সময় ‘প্লিজ’ বা ‘ধন্যবাদ’ শব্দগুলো ব্যাবহার করুন। কখনই তাদের সাথে খারাপ আচরণ করবেন না। মনে রাখবেন কর্মক্ষেত্রে ভদ্র আচরণ পাওয়া প্রত্যেক কর্মীরই অধিকার।

৪। দৃষ্টি যথাসম্ভব সংযত রাখুন:

বিমানের ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট নারী বা পুরুষ হেঁটে যাওয়ার সময় অনেকেই তাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন, যা তাদের স্বাভাবিক কাজের বিঘ্ন ঘটায়। এছাড়াও অনেকেই বিমানের ভেতর তাদের কাজের স্থানে উঁকি মেরে তাদের কার্যক্রম লক্ষ্য করার চেষ্টা করেন। তাদের এমন আচরণে বিমানের কর্মীদের কাজে যে শুধু ব্যাঘাত ঘটে তাই নয়, এতে করে তারা অস্বস্তিতেও পড়ে যান।

৫। স্টিকার ব্যবহার করুন:

বিশ্বের অধিকাংশ বড় ফ্লাইটেই সিটের সঙ্গে একটি স্টিকার দেওয়া থাকে। এতে লেখা থাকে, ‘খাবারের সময় আমাকে ডেকে দিও।’ এমন স্টিকার থাকলে খাবার দেওয়ার সময় ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট আপনাকে নিশ্চিন্তে ডেকে দেবেন। এমন স্টিকার না থাকলে খাবারের সময় ডাকলে বা না ডাকলেও বিরক্ত হন। তাই আপনি আপনার প্রয়োজন বুঝে স্টিকারটি ব্যবহার করুন।

৬। খাবারের জন্য ধন্যবাদ দিন:

বিমানের প্রত্যেকটি যাত্রীর জন্যই বিমানে পর্যাপ্ত খাবার মজুদ থাকে। ফলে খাবার গ্রহণে কখনই কোনো সমস্যা নেই, বরং তা প্রত্যাখ্যান করাই বেশি ঝামেলার। তবে খাবার গ্রহণ করার সময় অবশ্যই সহায়তাকারীকে ধন্যবাদ দিন তাকে সহায়তা করুন।

৭। গ্যালারিতে যান:

ভ্রমণের সময় অতিরিক্ত কোনো পানীয় কিংবা হালকা খাবার প্রয়োজন হলে বিমানের গ্যালারিতে চলে যান। অধিকাংশ বিমানের পেছনের দিকেই গ্যালারি থাকে। যাতায়াতের সময় একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে ডেকে কোনোকিছু চাওয়ার চেয়ে এটি অনেক ভদ্র পদ্ধতি।

৮। ট্রে অগোছালো নয়:

খাবার খাওয়া শেষ করে তা অগোছালো ভাবে না রেখে নিজেই একটু গুছিয়ে রাখুন। এতে সহায়তাকারীদের সুবিধার সাথে সাথে নিজের কাজেও সুবিধা হবে।

৯। ব্যাবহার করা হেডসেট ও কম্বল ফেরত দিন:

বিমানযাত্রার শেষ দিকে বিমানের যাত্রীদের কাছ থেকে হেডসেট নেওয়ার দায়িত্বে একজন নিয়োজিত থাকেন। কারণ তার কাজ বিমানটি সময়মত পরিষ্কার করে নতুন করে সাজিয়ে যাত্রী ওঠানো। বের হওয়ার আগেই এসব কাজ সেরে তবেই যাত্রার সমাপ্তি করুন।

Comment on Facebook

Inshallah I do it

6 months ago
Nagori Tourista

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে কোনও ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যে দেশগুলিতে (NO VISA REQUIRED or NVR Countries with Bangladeshi Passport)

ভিসা ছাড়াও যে বিশ্বের অনেকগুলো দেশে যাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই আপনি কোনো ধরনের ভিসার ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন ২০টি চমৎকার দেশে আর এটি অবশ্যই যেকোনো ট্রাভেলারের জন্য দারুণ সুখবর। তবে ভিসা ছাড়াই তালিকায় থাকা ৪২টি দেশের যেকোনো একটিতে যেতে হলে আপনাকে শুধুমাত্র কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, যেমনঃ

আপনার পাসপোর্টটি অবশ্যই বৈধ হতে হবে। সাধারণত, বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রেই বাংলাদেশী পাসপোর্টটি ডেস্টিনেশন থেকে এক্সিটের তারিখ , অর্থাৎ দেশটি ছেড়ে আসার তারিখের পর থেকে ৬ মাসের জন্য বৈধ হতে হয় এবং
ট্রাভেল করার আগে যে দেশে যাচ্ছেন সেটির জন্য সঠিক স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance) কিনে রাখা জরুরি। আপনি কোথায় যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে বীমার ধরন এবং মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
সব রিকোয়ারমেন্ট জেনে নেওয়ার পর বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া যে ৪২টি দেশে খুব সহজেই যেতে পারেন


এশিয়া - ৬টি দেশ - ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর।
দক্ষিণ আমেরিকা - ১টি দেশ - বলিভিয়া।
উত্তর আমেরিকা (ক্যারাবিয়ান অঞ্চল) - ১১ টি দেশ - বাহামাস, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপসমূহ, ডোমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মন্টসেরাট, সেন্ট কিটস এবং নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, ট্রিনিডাড ও টোব্যাগো।
ওশিয়ানিয়া - ৮টি দেশ - কুক দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, কিরিবাস বা কিরিবাটি, মাইক্রোনেশিয়া, নিউয়ে, সামোয়া, ভানুয়াটু, টুভালু।
আফ্রিকা - ১৬টি দেশ - লেসোথো, গাম্বিয়া, বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, টোগো।
তথ্যসূত্র: visaguide.world

--------------------------

বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (Visa on Arrival বা VoA) নিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন যেসব দেশে


আগে থেকে কোনও প্রকার ভিসা আবেদন ছাড়াই বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন অসাধারণ কিছু স্পট- এটা হয়তো অনেক ভ্রমণপ্রেমীরই শুধু কল্পনায় ছিল। ব্যাপারটা এখন পুরোপুরি সত্যি আর তা হয়তো অনেকে জেনেও থাকবেন। কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য অন এরাইভাল ভিসা ঠিক কোন কোন দেশে আছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকতে পারে। আজকে একনজরেই দেখে নিতে পারবেন সেই দেশগুলোর তালিকা আর চট করে প্ল্যান করে ফেলতে পারবেন আপনার পরবর্তি ট্রিপ।

বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (VoA) পাবেন যেসব দেশে


এশিয়া - মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল, টিমর-লেস্টে, শ্রীলঙ্কা
আফ্রিকা - কাবো ভার্দে, মৌরিতানিয়া, বুরুন্ডি, কমোরোস, গিনি-বিসাউ, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া
দক্ষিণ আমেরিকা - বলিভিয়া
ওশিয়ানিয়া - টুভালু
তথ্যসূত্র: visaguide.world
------------------------------
ভিসা অন-অ্যারাইভাল এমন এক ধরনের ভিসা যেটির মাধ্যমে ডেস্টিনেশনে পৌঁছানোর আগে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না । অর্থাৎ, আপনাকে আগে থেকে কোনো ডকুমেন্ট সংগ্রহ করার দরকার নেই। আপনি যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানে পৌঁছে একটি অনুমোদিত পয়েন্টে প্রয়োজনীয় ফি দিয়েই আপনি আপনার ভিসাটি কালেক্ট করে নিতে পারবেন। এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি দেশভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনি আপনার আবেদন জমা দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন। ভিসা অন-অ্যারাইভাল সাধারণত ট্যুরিস্টরাই ব্যবহার করে থাকেন এবং এর মেয়াদ থাকে ১৪ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত। তবে ভিসা অন-অ্যারাইভালের যেকোনো শর্ত উক্ত দেশগুলোর সিধান্ত অনুযায়ী চেঞ্জ হতে পারে।

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা অন-অ্যারাইভালের জন্য আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?


একটি বৈধ পাসপোর্ট
রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী
ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)
প্রয়োজনীয় ফি দিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড কিংবা ক্যাশ
ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি
ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি।
বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ই-ভিসায় ঘুরে আসতে পারবেন যে দেশগুলো থেকে

বর্তমান সময়ে প্রায় সব ট্রাভেলারদের মধ্যেই ই-ভিসা বেশ পরিচিত। ই-ভিসা মূলত সাধারণ ভিসার একটি ইলেক্ট্রনিক ভার্সন । এটি একটি নিয়মিত ভিসার মতোই কাজ করে তবে নিয়মিত ভিসার তুলনায় কিছু এটির সুযোগ-সুবিধা কিছুটা বেশি, কেননা ই-ভিসার আবেদনের জন্য আপনাকে এম্বাসির লম্বা লাইনে মোটেই দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। যেই দেশে যেতে চান, সেখানের এম্বাসির পোর্টালে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করলেই আপনার কাজ শেষ। অর্থাৎ, আপনাকে আর এম্বাসিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে না বা ডকুমেন্টের কোনো হার্ড কপিও জমা দিতে হবে না। তাই বুঝতেই পারছেন, ই-ভিসা প্রক্রিয়াটি কতটা ঝামেলামুক্ত, সহজ এবং সময় সাশ্রয়ী!

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ই-ভিসা অনুমোদনকারী দেশের তালিকা


এশিয়া: বাহরাইন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, কাতার, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম
ইউরোপ: আলবেনিয়া
আফ্রিকা: বেনিন, বটসোয়ানা, বুর্কিনা ফাসো, ক্যামেরুন, কঙ্গো জাতীয় প্রজাতন্ত্র, আইভরি কোস্ট (কোট ডিভোয়ার), জিবুটি, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইথিওপিয়া, গাবন, গিনি, কেনিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে, দক্ষিণ সুদান, টোগো, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে
উত্তর আমেরিকা (ক্যারাইবিয়ান অঞ্চল): অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা
দক্ষিণ আমেরিকা: সুরিনাম
তথ্যসূত্র: visaguide.world

-----------------------------
বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেও যেসব দেশ ভ্রমণ করতে আপনাকে ট্যুরিস্ট ভিসা নিতে হবে


নো-ভিসা, ই-ভিসা এবং ভিসা অন-অ্যারাইভাল নিয়ে সব প্রয়োজনীয় তথ্য জানার পর এবার পালা ভিসাসহ ট্রাভেল নিয়ে জানার। আপনার যদি একটি বৈধ বাংলাদেশী পাসপোর্ট এবং একটি ভিসা থাকে, তাহলে আপনি ঘুরে দেখতে পারেন পৃথিবীর অনন্য ১৬১টি দেশ! প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপ, চোখ ধাঁধানো আর্কিটেকচারসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় স্পটের ছবিগুলো মডার্ন ডিভাইসটিতে ক্যাপচার করতে বেশ ভালোই লাগবে! চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এই নিয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য কিছু বেসিক ডকুমেন্ট


ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)
একটি বৈধ পাসপোর্ট (অন্তত ছয় মাসের বৈধতা) যেখানে পরিদর্শনকারী দেশটির জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফাঁকা পৃষ্ঠা রয়েছে।
পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)
রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী
ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি
ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি
আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ (সাধারণত লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
ম্যারেজ সার্টিফিকেট
... See MoreSee Less

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে কোনও ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যে দেশগুলিতে (NO VISA REQUIRED or NVR Countries with Bangladeshi Passport)
 
ভিসা ছাড়াও যে বিশ্বের অনেকগুলো দেশে যাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই আপনি কোনো ধরনের ভিসার ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন ২০টি চমৎকার দেশে আর এটি অবশ্যই যেকোনো ট্রাভেলারের জন্য দারুণ সুখবর। তবে ভিসা ছাড়াই তালিকায় থাকা ৪২টি দেশের যেকোনো একটিতে যেতে হলে আপনাকে শুধুমাত্র কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, যেমনঃ 

আপনার পাসপোর্টটি অবশ্যই বৈধ হতে হবে। সাধারণত, বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রেই বাংলাদেশী পাসপোর্টটি ডেস্টিনেশন থেকে এক্সিটের তারিখ , অর্থাৎ দেশটি ছেড়ে আসার তারিখের পর থেকে ৬ মাসের জন্য বৈধ হতে হয় এবং
ট্রাভেল করার আগে যে দেশে যাচ্ছেন সেটির জন্য সঠিক স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance) কিনে রাখা জরুরি। আপনি কোথায় যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে বীমার ধরন এবং মূল্য ভিন্ন হতে পারে।
সব রিকোয়ারমেন্ট জেনে নেওয়ার পর বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা ছাড়া যে ৪২টি দেশে খুব সহজেই যেতে পারেন
 

এশিয়া - ৬টি দেশ - ভুটান, কম্বোডিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পূর্ব তিমুর।
দক্ষিণ আমেরিকা - ১টি দেশ - বলিভিয়া।
উত্তর আমেরিকা (ক্যারাবিয়ান অঞ্চল) - ১১ টি দেশ - বাহামাস, বার্বাডোস, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপসমূহ, ডোমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মন্টসেরাট, সেন্ট কিটস এবং নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, ট্রিনিডাড ও টোব্যাগো।
ওশিয়ানিয়া - ৮টি দেশ - কুক দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, কিরিবাস বা কিরিবাটি, মাইক্রোনেশিয়া, নিউয়ে, সামোয়া, ভানুয়াটু, টুভালু।
আফ্রিকা - ১৬টি দেশ - লেসোথো, গাম্বিয়া, বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, লেসোথো, মাদাগাস্কার, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, টোগো।
তথ্যসূত্র: visaguide.world 

--------------------------

বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (Visa on Arrival বা VoA) নিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন যেসব দেশে 
 

আগে থেকে কোনও প্রকার ভিসা আবেদন ছাড়াই বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন অসাধারণ কিছু স্পট- এটা হয়তো অনেক ভ্রমণপ্রেমীরই শুধু কল্পনায় ছিল। ব্যাপারটা এখন পুরোপুরি সত্যি আর তা হয়তো অনেকে জেনেও থাকবেন। কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য অন এরাইভাল ভিসা ঠিক কোন কোন দেশে আছে তা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকতে পারে। আজকে একনজরেই দেখে নিতে পারবেন সেই দেশগুলোর তালিকা আর চট করে প্ল্যান করে ফেলতে পারবেন আপনার পরবর্তি ট্রিপ। 

বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলে ভিসা অন-অ্যারাইভাল (VoA) পাবেন যেসব দেশে 
 

এশিয়া - মালদ্বীপ, ভুটান, নেপাল, টিমর-লেস্টে, শ্রীলঙ্কা
আফ্রিকা - কাবো ভার্দে, মৌরিতানিয়া, বুরুন্ডি, কমোরোস, গিনি-বিসাউ, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া
দক্ষিণ আমেরিকা - বলিভিয়া
ওশিয়ানিয়া - টুভালু
তথ্যসূত্র: visaguide.world
------------------------------
ভিসা অন-অ্যারাইভাল এমন এক ধরনের ভিসা যেটির মাধ্যমে ডেস্টিনেশনে পৌঁছানোর আগে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না । অর্থাৎ, আপনাকে আগে থেকে কোনো ডকুমেন্ট সংগ্রহ করার দরকার নেই। আপনি যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানে পৌঁছে একটি অনুমোদিত পয়েন্টে প্রয়োজনীয় ফি দিয়েই আপনি আপনার ভিসাটি কালেক্ট করে নিতে পারবেন। এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি দেশভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনি আপনার আবেদন জমা দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন। ভিসা অন-অ্যারাইভাল সাধারণত ট্যুরিস্টরাই ব্যবহার করে থাকেন এবং এর মেয়াদ থাকে ১৪ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত। তবে ভিসা অন-অ্যারাইভালের যেকোনো শর্ত উক্ত দেশগুলোর সিধান্ত অনুযায়ী চেঞ্জ হতে পারে। 

বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ভিসা অন-অ্যারাইভালের জন্য আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?
 

একটি বৈধ পাসপোর্ট
রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী
ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)
প্রয়োজনীয় ফি দিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড কিংবা ক্যাশ
ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি
ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি। 
বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে ই-ভিসায় ঘুরে আসতে পারবেন যে দেশগুলো থেকে
 
বর্তমান সময়ে প্রায় সব ট্রাভেলারদের মধ্যেই ই-ভিসা বেশ পরিচিত। ই-ভিসা মূলত সাধারণ ভিসার একটি ইলেক্ট্রনিক ভার্সন । এটি একটি নিয়মিত ভিসার মতোই কাজ করে তবে নিয়মিত ভিসার তুলনায় কিছু এটির সুযোগ-সুবিধা কিছুটা বেশি, কেননা ই-ভিসার আবেদনের জন্য আপনাকে এম্বাসির লম্বা লাইনে মোটেই দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। যেই দেশে যেতে চান, সেখানের এম্বাসির পোর্টালে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস আপলোড করলেই আপনার কাজ শেষ। অর্থাৎ, আপনাকে আর এম্বাসিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে না বা ডকুমেন্টের কোনো হার্ড কপিও জমা দিতে হবে না। তাই বুঝতেই পারছেন, ই-ভিসা প্রক্রিয়াটি কতটা ঝামেলামুক্ত, সহজ এবং সময় সাশ্রয়ী!

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ই-ভিসা অনুমোদনকারী দেশের তালিকা
 

এশিয়া: বাহরাইন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, কাতার, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম
ইউরোপ: আলবেনিয়া
আফ্রিকা: বেনিন, বটসোয়ানা, বুর্কিনা ফাসো, ক্যামেরুন, কঙ্গো জাতীয় প্রজাতন্ত্র, আইভরি কোস্ট (কোট ডিভোয়ার), জিবুটি, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইথিওপিয়া, গাবন, গিনি, কেনিয়া, মালাউই, মোজাম্বিক, নাইজেরিয়া, সাও টোমে এবং প্রিন্সিপে, দক্ষিণ সুদান, টোগো, উগান্ডা, জাম্বিয়া, জিম্বাবুয়ে
উত্তর আমেরিকা (ক্যারাইবিয়ান অঞ্চল): অ্যান্টিগুয়া এবং বারবুডা
দক্ষিণ আমেরিকা: সুরিনাম
তথ্যসূত্র: visaguide.world

-----------------------------
বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেও যেসব দেশ ভ্রমণ করতে আপনাকে ট্যুরিস্ট ভিসা নিতে হবে 
 

নো-ভিসা, ই-ভিসা এবং ভিসা অন-অ্যারাইভাল নিয়ে সব প্রয়োজনীয় তথ্য জানার পর এবার পালা ভিসাসহ ট্রাভেল নিয়ে জানার। আপনার যদি একটি বৈধ বাংলাদেশী পাসপোর্ট এবং একটি ভিসা থাকে, তাহলে আপনি ঘুরে দেখতে পারেন পৃথিবীর অনন্য ১৬১টি দেশ! প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপ, চোখ ধাঁধানো আর্কিটেকচারসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় স্পটের ছবিগুলো মডার্ন ডিভাইসটিতে ক্যাপচার করতে বেশ ভালোই লাগবে! চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এই নিয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। 

বাংলাদেশ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য কিছু বেসিক ডকুমেন্ট 
 

ভিসা আবেদনপত্র (Visa Application Form)
একটি বৈধ পাসপোর্ট (অন্তত ছয় মাসের বৈধতা) যেখানে পরিদর্শনকারী দেশটির জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফাঁকা পৃষ্ঠা রয়েছে।
পুরানো পাসপোর্ট  (যদি থাকে)
রিসেন্ট ছবি (সাধারণত ৩ মাসের বেশি পুরানো নয়)। ছবির সাইজ নির্ভর করবে যেই দেশে যাচ্ছেন সেখানকার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী
ফ্লাইট টিকিট এবং হোটেল রিজার্ভেশনের কপি
ভ্রমণসূচী (Travel Itinerary) ইত্যাদি
আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ (সাধারণত লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক  স্টেটমেন্ট)
ম্যারেজ সার্টিফিকেট
Load more

Contact Us:

Nagori Tourista

Contact Number : +8801975555350

E-mail : nagoritourista@gmail.com